বছর বছর আর নয় ত্রাণ!

বছর বছর আর নয় ত্রাণ,হোক স্থায়ী সমাধান কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ২০ঃ কুড়িগ্রাম বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় একটি জেলা।নয়টি উপজেলা নিয়ে গঠিত কুড়িগ্রাম জেলা।সরকারী মতে শুধুমাত্র কুড়িগ্রাম জেলাতেই ছোট বড় ১৬টি নদী বহমান।দেশ বিদেশে নদীকে কেন্দ্র করে শহর উন্নত হলেও দেশের দারিদ্র জেলার নামের তালিকায় কুরিগ্রামের স্থান প্রথম।এ জেলার মানুষ দারিদ্রতার কারণে রাজধানীসহ অন্যান্য শহরে কাজ করে পরিবার চালায়।অন্যত্র এলাকায় নদী আশির্বাদ হলে কুরিগ্রামের জন্য নদীগুলো অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে।বহুদিন ধরে বহমান নদীগুলোর তলা ভরাট হওয়ায় নদীগুলো হারিয়েছে তাদের নাব্যতা।হারিয়েছে ধারণ ক্ষমতা।প্রতি বছর বন্যা,নদী ভাঙ্গনের ফলে সরকারী হিসেবে কোটি কোটি টাকা নষ্ট হলেও দেশের সামান্য টনক নড়েনা।কিন্তু যাদের শেষ সম্বল বাড়িভিটেটুকু নদীগর্ভে বিলিন হয় তাদের দুঃখ দেখার হয়তো কেউ নেই।কিন্তু এর ফল সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয় এই মানুষগুলোর।শিক্ষা নিয়ে কথা বলেই বা কি হবে।যেখানের মানুষকে পেটের খোরাক জোগাতে ব্যস্ত থাকতে হয় সেখানে শিক্ষার হারইবা কত হবে।এছাড়া বন্যাতো আছেই শিক্ষােপ্রতিষ্ঠান ভাঙ্গার জন্য।বিস্তৃত চরগুলোতে এখনো পৌছায়নি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এছাড়াও জেলার বিস্তৃত এলাকা সীমানা বর্তী হওয়ায় মাদক একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে।প্রশাসনের কঠোর ও সর্বোচ্চ নজরদারীও বিফলে যাচ্ছে।প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য প্রবেশ করছে বাংলাদেশে।মাদকের সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে একটা বড় অংশ। যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা বললে গরিবের বাড়ি কে আসে যে ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা লাগবে।সড়ক পথ স্থলবন্দর সোনাহাট পর্যন্ত থাকলেও বেহাল দশা সড়কের।রেলপথ কুড়িগ্রাম হয়ে চিলমারি পর্যন্ত রয়েছে দৃশ্যমান।কিন্তু রেললাইন এবং বগী ইন্জিন হয়তো দেশের অন্য কোনো লাইনে চলেনা জন্য এখানে দেয়া হয়েছে হয়তো। সময় এগিয়ে যাচ্ছে,এগিয়ে যাচ্ছে দেশ,তবে কি পিছিয়ে থাকবে এই বাহের দেশ কুড়িগ্রাম। নদী খনন সময়ের দাবী।কুড়িগ্রামবাসী ত্রাণ চায়না,চায় স্থায়ী সমাধান।বাধগুলো সংস্করণ করা হোক।রেলপথ উন্নত করা হোক।



এ সংবাদটি 179 বার পড়া হয়েছে.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here