কিং ফাহাদ কাপ থেকে কনফেডারেশন কাপ

ফিফা বিশ্বকাপের মহড়া হিসেবে পরিচিত ফিফা কনফেডারেশন কাপ। প্রতি চার বছর পর পর বিশ্বকাপ আয়োজক দেশে অনুষ্ঠিত হয় এই টুর্নামেন্ট। ১৯৯২ সাল সৌদি আরবে বসে এই টুর্নামেন্টের প্রথম আসর।

শুরুর দিকে কনফেডারেশন কাপের নাম ছিল কিং ফাহাদ কাপ। এই নামেই ১৯৯২ এবং ১৯৯৫ সালে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হয়েছে কনফেডারেশন কাপের প্রথম দুটি আসর।

১৯৯৭ সালে কিং ফাহাদ কাপ থেকে নাম পরিবর্তন করে কনফেডারেশন কাপ নামকরণ করা হয়। প্রথম দিকে প্রতি দুই বছর পর পর কনফেডারেশন অনুষ্ঠিত হত। ২০০৫ সাল থেকে চার বছর পর পর এই টুর্নামেন্টটি পরবর্তী বছর যে দেশে ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে সেখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

কনফেডারেশন্স কাপে মোট ৮টি দেশ অংশগ্রহণ করে। স্বাগতিক দেশ, বিশ্বকাপ জয়ী দেশ এবং ছয়টি মহাদেশীয় টুর্নামেন্ট উয়েফা, কনমেবল, কনকাকাফ, সিএএফ, এএফসি ও ওএফসি চ্যাম্পিয়ন দেশ।

কনফেডারেশন কাপের প্রথম ৩টি আসর বসে সৌদি আরবে। সর্বশেষ ২০১৭ সালে কনফেডারেশন কাপের দশম আসর বসে রাশিয়ায়। সেখানে ফাইনালে চিলিকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে জার্মানি।

কনফেডারেশন কাপে সবচেয়ে সফল দেশ ব্রাজিল। বিশ্বকাপের মত এখানেও তাদের একক আধিপত্য। কনফেডারেশন কাপে সবচেয়ে বেশী শিরোপা জিতেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলটি। কনফেডারেশন কাপের ৯টি আসরের মধ্যে ৪ বার শিরোপা জিতেছে সর্বজয়ী এই দলটি। এরমধ্যে ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জিতেছে টানা তিনটি শিরোপা। ব্রাজিল সর্বপ্রথম শিরোপা জিতে ১৯৯৭ সালে।

কনফেডারেশন কাপের প্রথম শিরোপা জয়ী দেশ আর্জেন্টিনা। ১৯৯২ সৌদি আরবে অনুষ্টিত প্রথম আসরে শিরোপা জিতে দুই বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এরপরে আর শিরোপার স্বাদ পায়নি তারা।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ছাড়াও কনফেডারেশন কাপের শিরোপা জিতেছে ডেনমার্ক, মেক্সিকো এবং ফ্রান্স। ডেনমার্ক ১৯৯৫ সালে এবং মেক্সিকো ১৯৯৯ সালে শিরোপা জিতে। ফ্রান্স ২০০১ থেকে ২০০৩ টানা দুইবার কনফেডারেশন কাপের শিরোপা জয় লাভ করে।

কনফেডারেশন কাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেক্সিকোর কুয়াউহিটমোকা। তার গোল সংখ্যা ৯টি। ৭টি করে গোল নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্ছ গোলদাতা ব্রাজিলের রোনালদিনহো, রোমারিও ও আদ্রিয়ানো। কনফেডারেশন্স কাপে এখন পর্যন্ত কোন হ্যাট্টিক হয়নি।

তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া



এ সংবাদটি 140 বার পড়া হয়েছে.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here